একদল নয়াচোর
আমাদের রক্তের পরে
ব্যবসা কোরে একদল নয়াচোর
রাতারাতি ক্ষমতায়
সংস্কারের প্রলোভন দেখিয়ে
আম খায়, আঁটিও
গুঁজে রাখেন নিজেরই গুহ্যদ্বারে।
রাতের বাগান ও হিংসাফুল
রাত এলে, মৃতের শহর এসে
নিয়ে যায় আমাকে সেখানে!
সারারাত মৃতদেহকে বয়ে ও
মৃতদের পাশে, খুঁজি পার্থক্য?
মৃতদের সব্বাই, এক তো নয়।
ওখানেও হিংসা জেগে আছে!
চোখেমুখে এ প্রভাব স্পষ্টতর
ফুটে উঠেছে, রাতের বাগানে।
এখানে এখনও অভাব, স্বপ্নের
এদেশে, অভাবের হাওয়া বইছে;
বহুকাল সাথী, পূর্বপুরুষ থেকেই
তীব্র বেগে। যার শরীর ছুঁয়ে যাচ্ছে;
টের পায় সে, অভাব মূলত স্বপ্নের!
একটি সুন্দর স্বপ্নের অভাবে;
কাতরাচ্ছে পুরোদমে, জাতি!
কী নেই, আমাদের? প্রশ্ন ছেড়ে;
যা-কিছু আছে, তা নিয়েই গড়ি।
আর কতকাল স্বরহীন, এভাবেই ;
যাবো মরি? কলঙ্কিত সে, স্বপ্নহীন।
তরী-ভরা মেঘ, সমুদ্রে
মাঝদরিয়ায়, উথালপাতাল
ঘুরপাক, খাচ্ছিলো সেসবও
ভেসে বেড়ায়, সফেন জলে -
অনুকূলে ও প্রতিকূলে, ছলাৎ
তরী মাত্র পাক, তীরের সাক্ষাৎ।
তীরে, প্রতীক্ষমান একজন
কেউ তো দাঁড়িয়ে, নির্বাক।
সুমসাম সময় এখন
পাড়ের দিকে, যাক।
অবহেলা নয়
যত্ন নিতে পারছি না
আরও যত্ন দিতে-ও
এ আমার একার ভুল তো নয়
হে সমকালীন সারথি।
ক`জন আর যত্ন পায়?
একজন কতজনকে
যত্ন দিতে পারে, একত্রে?
রাত নামলেই
রাত নামলেই
ধীরে ধীরে চেপে ধরে নিস্তব্ধতা।
বিদীর্ণ তিয়ামাতের শরীর থেকে
আমার দূরত্ব কতটুকু ফাঁকা?
ভাগ্যকে কপালে মেনে শোভন যদ্দিন
খরচ করবে আয়ুকাল, কার কি ক্ষতি?
রাত নামলেই
কত কী মনে পড়ে যায়, নিছক প্রণতি।
কবি নটরাজ অধিকারী’র কবিতা
আপনার মতামত লিখুন :