সারাদিনে চায়ের স্বাদ একবারও নেন না এমন মানুষ খুব কম পাওয়া যাবে। আবার অনেকেরই দিনভর কয়েক বার চা ছাড়া চলে না। তবে এর মধ্যে কেউ বা আবার ভিন্ন ভিন্ন স্বাদে চা পছন্দ করেন। যার মধ্যে কেউ কেউ আবার দুধ-চিনি ছাড়া চা খেতেই পারেন না।
চা খাওয়া বিভিন্ন কারণে বেশ উপকারি। কিন্তু সেই উপকারিতার মধ্যেও ভাগ আছে। যদি সঠিকভাবে চা তৈরি করে তা পান করা যায় তবে তা উপকারি। আর নয়তো বিষে পরিণত হয়। যেমন- চিনি মেশানো চা পান করলে শরীরে নানা ধরনের ঝুঁকির তৈরি হয়। তবে চিনি ছাড়া চা পান করলে শরীরে নানা উপকার হয়।
চিনি ছাড়া চা খেলে ওজন কমানো, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমানোর মতো উপকারিতা পাওয়া যায়। এটি শরীরের বিপাক ক্রিয়া বা মেটাবোলিজম বাড়ায়, যা ক্যালোরি পোড়াতে সাহায্য করে।
চিনি ছাড়া চা খেলে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়:
ওজন কমাতে সাহায্য করে:
চিনি ছাড়া চা শরীরের বিপাক ক্রিয়া বা মেটাবোলিজম বাড়ায়, যা ক্যালোরি পোড়াতে সাহায্য করে এবং ফলে ওজন কমাতে সহায়ক হয়।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে:
চায়ে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়:
কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, চিনি ছাড়া চা পান করলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।
রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে:
চিনি ছাড়া কালো চা পান করলে রক্তে গ্লুকোজ কমতে পারে এবং শরীরের চিনি নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা উন্নত হতে পারে।
ত্বকের জন্য ভালো:
চিনি-দুধ ছাড়া কালো চা ত্বক ভিতর থেকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে এবং ত্বক ও চুলের যত্ন নিতে সাহায্য করে।
কর্মশক্তি বৃদ্ধি করে:
চিনি ছাড়া চা খেলে কর্মশক্তি বাড়ে।
ফুসফুস, স্তন, প্যানক্রিয়াসে টিউমারের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে:
নিয়মিত চিনি ছাড়া কালো চা খেলে ফুসফুস, স্তন, প্যানক্রিয়াসে টিউমারের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
হজম শক্তি বৃদ্ধি করে:
চিনি ছাড়া চা হজম শক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
চর্মরোগের সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে:
চিনি ছাড়া চা চর্মরোগের সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে।
সর্দি-কাশি থেকে মুক্তি দেয়:
চিনি ছাড়া চা সর্দি-কাশি এবং কফের মতো সমস্যা থেকে তাৎক্ষণিক মুক্তি দেয়।
আপনার মতামত লিখুন :