শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল, ২০২৫

থানা স্থানান্তর না করতে ইবি ভিসিকে শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি

ইবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৪, ২০২৪, ০৫:১০ পিএম

থানা স্থানান্তর না করতে ইবি ভিসিকে শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি

ছবি: রূপালী বাংলাদেশ

শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্বস্থ ইবি থানা স্থানান্তর না করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে স্মারকলিপি দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ।

শনিবার ১৪ ডিসেম্বর বেলা ১২ টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব নসরুল্লাহর কার্যালয়ে এই স্মারকলিপি প্রদান করে শিক্ষার্থীরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইবি সমন্বয়ক এস এম সুইট, সহ-সমন্বয়ক তানভীর মন্ডল, গোলাম রাব্বানী, মোবাশ্বির আমিন, তৌহিদুল সহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

এতে বলা হয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং পার্শ্ববর্তী সাতটি ইউনিয়নের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা ও মানুষের জান-মালের নিরাপত্তায় দীর্ঘ দিন ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও এলাকার মানুষের মতামত উপেক্ষা করে ফ্যাসিস্ট সরকারের স্বার্থান্বেষী কতিপয় রাজনৈতিক ব্যক্তি অসত্য তথ্য দিয়ে এই থানাকে সরিয়ে ১৬ কিলোমিটার দূরে দুর্গম ঝাউদিয়ায় নেয়ার অপচেষ্টা করেছে। ২০২২ সালের ২৭ নভেম্বর নিকার কমিটির সভায় ঝাউদিয়ায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা স্থানান্তর এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও এলাকাবাসীর সম্মতিতে থানা স্থানান্তর করে এখানে পুলিশ ক্যাম্প প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের মতামত না নিয়ে এমন অপচেষ্টা সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পড়তে আসা শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম দায়িত্ব। সুতরাং বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীর সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ক্যাম্পাসকে সুরক্ষিত রাখতে হলে, ইবি থানাকে তার পূর্বাবস্থায় বহাল রাখার কোনো বিকল্প নেই। স্বভাবতই, বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান কুষ্টিয়া শহর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরত্বে এবং বিনাইদহ সীমান্তবর্তী অঞ্চল হওয়ায় এলকাটি দুর্গম এবং নিরাপত্তাজনিত সংকটে রয়েছে। অতএব, ফ্যাসিস্ট সরকারের স্বার্থান্বেষী মহলের এক তরফা সিদ্ধান্ত বাতিল করে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা বহাল রাখার জন্য অনুরোধ করছি।

স্মারকলিপি গ্রহণ করে উপাচার্য ড. নকীব নসরুল্লাহ বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবী সম্পূর্ণ যৌক্তিক, আমি তাদের সাথে ঐক্যমত পোষণ করছি। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও চাইনা যে থানা এখান থেকে দূরে চলে যাক। বিভিন্ন মাধ্যমে আমরা চেষ্টা করছি থানা যাতে হস্তান্তর না হয়। কুষ্টিয়া ঝিনাইদহের ডিসি ও এসপিদের সাথে এবিষয়ে আলাপ করবো। আশাকরি শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবী বাস্তবায়ন হবে।
 

আরবি/জেডআর

Link copied!