দেশের সর্ববৃহৎ যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন মো. শামীম হোসেন। এর আগে তিনি নাটোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ডিডিএলজি পদমর্যাদায় কর্মরত ছিলেন।
রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বন্দরের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) সাহিদা শারমিন।
শামীম হোসেন বেনাপোল বন্দরের সাবেক পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা) মামুন কবীর তরফদারের কাছ থেকে দায়িত্ব বুঝে নেন।
গত ১৮ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ মামুন শিবলী স্বাক্ষরিত একপত্রে যশোরের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. রফিকুল হাসানকে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনে বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) হিসেবে বদলি করা হলেও তিনি অজ্ঞাত কারণে যোগ দেননি। পরে মো. শামীম হোসেনকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
বেনাপোল আমদানি-রপ্তানি সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান বলেন, বন্দরের তাৎক্ষণিক কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারেন না অতিরিক্ত বা ভারপ্রাপ্ত পরিচালকেরা। কোনো সিদ্ধান্ত নিতে ঢাকার প্রধান কার্যালয়ের দিকে চেয়ে থাকতে হয়। সেখান থেকে দিকনির্দেশনা আসার পর কাজ হয় বন্দরে। এতে দ্রুত বাণিজ্য সম্প্রসারণে বিভিন্ন বাধা হয়ে দাঁড়াতো। নতুন দায়িত্ব নেয়া কর্মকর্তা বাণিজ্য প্রসারে চলমান বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে আন্তরিক হয়ে কাজ করবেন বলে আশা করি।
বন্দর ব্যবহারকারী বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শামছুর রহমান জানান, দেশের অর্থনীতিতে বেনাপোল বন্দরের ভূমিকা অপরিসীম। এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম এ স্থলবন্দরটিতে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের সঙ্গে স্থল পথে যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ হয়, তার ৮০ ভাগ সম্পাদন হয় বেনাপোল দিয়ে। ২০০২ সালের ১ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ। বন্দরটিতে নতুন দায়িত্ব আসা কর্মকর্তা অব্যবস্থাপনাসহ নানা বিষয়ের প্রতি নজরদারি বাড়িয়ে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন ও নিরাপত্তা জোরদার করবেন।
নতুন দায়িত্ব নেয়া পরিচালক মো. শামীম হোসেন বলেন, বেনাপোল বন্দরের পুরনো সহকর্মীরা দায়িত্বশীল। এসব সহকর্মী আর বন্দর ব্যবহারকারীদের সঙ্গে নিয়ে বাণিজ্য সম্প্রসারণে কাজ করবো। এক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
আপনার মতামত লিখুন :