ঈদ পরবর্তী যাত্রীদের নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে পৌঁছাতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ করতে বরগুনা ও আমতলীতে যৌথবাহিনী অভিযান পরিচালনা করেছে। অভিযান চালানোর সময় পাশাপাশি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ পর্যন্ত অভিযানে আমতলীতে একত্রিশ হাজার টাকা বিভিন্ন অনিয়মে ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে জরিমানা করা হয়।
আজ শনিবার বেলা বারোটার দিকে বরগুনা বাস টার্মিনাল ও লঞ্চঘাট এবং আমতলী উপজেলার ঢাকা বাসস্ট্যান্ডে এবং আমতলী লঞ্চে অভিযান পরিচালনা করা হয়। আমতলীতে যৌথবাহিনীর অভিযানের পাশাপাশি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। মোবাইল কোর্টের নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী মেজিস্ট্রেট তারিক হাসান। নৌবাহিনীর নেতৃত্ব দেন বরগুনা নৌ কন্টিনজেন্ট তালতলী ডিট্যাসমেন্ট কমান্ডার লেফটেন্যান্ট এম নাইম হাসান। পুলিশের পক্ষে ছিলেন আমতলী থানার উপ পরিদর্শক মোঃ আলমগীর।
আমতলীতে যৌথবাহিনী বাসস্ট্যান্ডের প্রতিটি কাউন্টারে গিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছেন অতিরিক্ত মূল্যে টিকিট ক্রয় নিয়ে। এ সময়ে সাকুরা সহ বেশ কয়েকটি পরিবহন নেটওয়ার্ক জনিত কারণে সার্ভারে ত্রুটি দেয়ায় টিকিট বিক্রয় করতে না পারার কারণে পরিবহন চলাচল বন্ধ রয়েছে বলে যৌথ বাহিনী ও মোবাইল কোর্টের কাছে তুলে ধরেন। পরে আমতলী লঞ্চঘাটে এম ভি ইয়াদ ১ ও এমভি ইয়াদ লঞ্চে তারা অভিযান পরিচালনা করে।
এ বিষয়ে আমতলী উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী মেজিস্ট্রেট তারিক হাসান জানান, গতকাল থেকে আজ পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও নিয়মিত যাত্রী সেবা না দেয়ায় ত্রিশ হাজার পাঁচশত টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এছাড়া আমতলী বাসস্ট্যান্ডে গণ শৌচাগারে অতিরিক্ত টোল নেয়ার দায়ে পাঁচশত টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ঈদুল ফিতর শেষে যাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে ফিরতে পারে সেজন্য যেকোনো যাত্রী হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আপনার মতামত লিখুন :