অন্তবর্তীকালীন সরকারের মুক্তিযুদ্ধ, ত্রাণ ও দূর্যোগ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম বীর প্রতীক বলেছেন, এ দেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এ দেশের হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খৃষ্টান সবাই আমরা একে অন্যের ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানগুলোতে অংশগ্রহণ করি। এখানে আমাদের মধ্যে যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সেতুবন্ধন রয়েছে তা অন্য কোন দেশে নেই। সনাতনী সম্প্রদায়ের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব দূর্গাপুজায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা সবাই দিন-রাত কাজ করছি। দেশের সকল পুজা মন্ডপে আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে কাজ করছে।
শুক্রবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে পটিয়ার বিভিন্ন পুজা মন্ডপ পরিদর্শনে এসে পৌরসদরের সুচক্রদন্ডী মিলন মন্দিরে তিনি এসব কথা বলেন।
পরে উপদেষ্টা পৌরসদরের রামকৃষ্ণ মিশন ও কালি বাড়ি মন্দির পরিদর্শন করেন পুর্জা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের সাথে কৌশল বিনিময় ও পুজার সার্বিক বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
এসময় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, এ দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে ধারা রয়েছে, তা ধরে রাখতে হবে। তিনি স্মৃতিচারণ করে বলেন, আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন দুর্গাপূজা দেখতে এলাকার বিভিন্ন মন্ডপে যেতাম। বর্তমানে পুজাকে নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ করতে আপনাদের পাশে প্রতিদিন আছি, সবসময় আছি, প্রতি ঘন্টায় আছি, প্রতি মিনিটে আছি ও প্রতি সেকেন্ডে আছি। তিনি আরো বলেন, কোন গুজবে কান দেবেন না। আপনারা শান্তিপূর্ণভাবে পুজা উদযাপন করবেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন ভূঞা জনী, পটিয়া থানার ওসি আবু জায়েদ মো. নাজমুন নুর, কেন্দ্রীয় পুজা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক শ্যামল কুমার পালিত, জেলা পুজা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক বিশ্বজিৎ পালিত, জেলা পুজা কমিটির সদস্য ও পটিয়া উপজেলা পূজা মনিটরিং কমিটির সমন্বয়ক পুলক কান্তি চৌধুরী, আহ্বায়ক এডভোকেট সঞ্জয় দে, যুগ্ম আহ্বায়ক দেবাশীষ ধর বাপন, জুয়েল চৌধুরী, মান্না দেব, সাজু কুমার দেব, সদস্য সচিব রাসেল চৌধুরী, সোমা চৌধুরী, সীমা গোস্বামী, শোভন রায়, সঞ্জয় রক্ষিত, জয় দে প্রমূখ।
পরে উপদেষ্ঠা ফারুক ই আজম বীর প্রতীক বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত ২০০ ভক্তের মাঝে বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচী উদ্বোধন করেন।