ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল, ২০২৫

পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা দখল করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: নভেম্বর ১৮, ২০২৪, ০৫:৩৪ পিএম
ছবি: রূপালী বাংলাদেশ

বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার সেরাল-ধামুরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সরকারি জায়গা ৫ জন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর দোকান ভেঙ্গে ফেলে দখল করে পাকা ভবন নির্মান করার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার গোলাম কিবরিয়া সিকদার ও তার ছেলে শাহিন শিকদারের বিরুদ্ধে। পাকা ভবনের কাজ বন্ধের জন্য স্থানীয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সেরাল-ধামুরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়াপদা সড়কের আগৈলঝাড়া উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়ন সংলগ্ন সড়কের দুই পাশে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা ঘরতুলে প্রায় ৩০ বছর ক্ষুদ্র ব্যবসা করে আসছে, কবির হোসেন হাওলাদার, আল আমীন আকন, আবুসালে জুয়েল, হুমায়ুন সরদার ও মাইনুল আকন।

তাদের দোকান ঘর ভেঙ্গে ফেলে দখল করে পাকা ভবন নির্মাণ করছেন। এছাড়াও গোলাম কিবরিয়া সিকদার ও তার ছেলে শাহিন শিকদার চারটি দোকান ঘর নির্মাণের জন্য ফ্লোরের ঢালাই কাজ সম্প্রতি শেষ করেছে।

এ ব্যাপারে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী কবির হোসেন হাওলাদার, আল আমীন আকন, আবুসালে জুয়েল, হুমায়ুন সরদার ও মাইনুল আকন রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, আমরা সড়কের পাশে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় টিনের ঘরতুলে ৩০বছর ধরে আমরা ব্যবসা করে আসছি। এলাকার প্রভাবে কিবরিয়া সিকদার ও তার ছেলে শাহিন শিকদার আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভেঙ্গে তারা পাকা ভবন নির্মাণ করছেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত গোলাম কিবরিয়া সিকদার বলেন, আমার জায়গার আমি দোকান ঘর নির্মাণ করছি। কতিপয় ব্যক্তি আমাকে হয়রানি করার জন্য আমার বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারিয়া তানজিন বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড তাদের জায়গাটি নির্ধারন করার পরে, আমার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানালে আমার কতৃপক্ষ আমাকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিলে আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো।

এই বিষয়ে বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মোহাইমিনুল ইসলাম আবীর দৈনিক রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ পেয়ে আমি সরেজমিন দেখার জন্য লোক পাঠিয়েছি। পাকা ভবন নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার জন্য তাদের চিঠি দেওয়া হবে।