সমুদ্র সৈকতের শহর কক্সবাজারে প্রথমবার জনসমকক্ষে প্রদর্শিত হয়েছে আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। সর্বসাধারণের প্রদর্শনের জন্য ট্রফিটি সৈকতের লাবণী পয়েন্টে সীমান্ত সম্মেলেন কেন্দ্র ঊর্মির সামনে রাখা হয়েছে।
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত ট্রফিটি দেখার সুযোগ পায় স্থানীয় বাসিন্দাসহ পর্যটকরা। এ ধরনের আয়োজন পর্যটন শহর কক্সবাজারকে বিশ্ববাসীর কাছে আরও পরিচিত করার সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে, প্রদর্শনের বিষয়ে প্রচার-প্রচারণা না থাকায় হতাশ পর্যটকসহ স্থানীয়রা।
একদিকে, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত। অপরদিকে বালিয়াড়িতে শোভাপাচ্ছে আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তায় ঘিরে রাখা হয় ট্রফিটি।
জানা যায়, আইসিসি ম্যানস চ্যাম্পিয়নশিপ ট্রফিটি টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী দেশসমূহে প্রদর্শনের অংশ হিসেবে কক্সবাজারে আনা হয়। সকাল ১০টায় সীমান্ত সম্মেলন কেন্দ্র ঊর্মি এর সম্মুখের সৈকতে ট্রফি প্রদর্শন করা হয়। সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকলেও নির্দিষ্ট দূরত্ব থেকে ভক্তরা ছবি তোলেন বিশ্বকাপ শিরোপার সঙ্গে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ক্রিকেটপ্রেমীরা জানান, স্বপ্নের ট্রফির পাশে সেলফি, ছবি ও ছুঁয়ে দেখছে ভক্তরা। সমুদ্র সৈকতে প্রদর্শনী হওয়া চ্যাম্পিয়নস ট্রফি নিয়ে ক্রিকেটভক্তদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।
পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সৈকতের লাবণী পয়েন্টের বালিয়াড়িতে প্রদর্শন করা হচ্ছে ট্রফি। কিন্তু এ নিয়ে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে নেই কোনো ধরনের প্রচার-প্রচারণা। এমনকি সীমান্ত সম্মেলন কেন্দ্র ঊর্মিতেও নেই কোনো ধরনের ব্যানার-ফেস্টুন। হোটেল-মোটেল জোন, গুরুত্বপূর্ণ সড়ক কিংবা সৈকতের প্রবেশদ্বারগুলোতে নেই প্রচারণা। পর্যটন মৌসুমে প্রতিদিনই কক্সবাজারে ভিড় করছে হাজার হাজার পর্যটক। তারাও জানেন না কক্সবাজার সৈকতে প্রদর্শিত হবে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। প্রচার-প্রচারণায় না থাকায় হতাশ পর্যটকরাও।
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার পর ট্রফিটি বহনকারী এয়ারস্ট্র’র একটি ফ্লাইট কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌছায়।
আপনার মতামত লিখুন :