শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল, ২০২৫

কুড়িগ্রামে কুয়াশায় বীজতলা নিয়ে শঙ্কায় কৃষক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৫, ২০২৪, ০৮:২২ পিএম

কুড়িগ্রামে কুয়াশায় বীজতলা নিয়ে শঙ্কায় কৃষক

ছবি: রূপালী বাংলাদেশ

উত্তরের সীমান্ত জেলা কুড়িগ্রামে বোরো ধানের বীজতলা তৈরী করে বিপাকে পরছেন চাষিরা। ঘন কুয়াশা ও কনকনে শীতে চারা খাদ্য তৈরি ও শিকড় বাড়তে পারছে না। এতে অনেক জমির চারা লালচে রং ধারণ করতে শুরু করায় বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কায় কৃষকরা।

কৃষকরা জানান, ঘন কুয়াশা আর অব্যাহত শীতের কারণে বোরো ধানের বীজতলার চারা হলুদ ও বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছে। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষক।

রবিবার (১৫ ডিসেম্বর) বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে সদ্য বীজতলায় গজানো অনেক জমির চারা হলুদ ও বিবর্ণ হয়ে গেছে। এছাড়া যারা নতুন করে বীজতলা তৈরি করার জন্য জমিতে বীজ ছিটিয়েছে সেসব জমিতে হিম জমে থাকার কারনে অনেক জমির চারা গজাতে পারছে না। ফলে ব্যাহত হচ্ছে বীজতলার বাড়ন্ত।

জেলা সদরের শুলকুর বাজার এলাকার কৃষক গিয়াস উদ্দিন বলেন, দুই বিঘা জমিতে বোরোর বীজ ছিটিয়েছি। আগাম বীজ ছিটানো জমিতে বীজতলা বেশ ভালোই হয়েছে। কিন্তু কয়েকদিন ধরে ঘন কুয়াশার কারনে সদ্য ছিটানো বীজের চারা গজিয়ে তা লালচে হয়ে যাচ্ছে। এভাবে বীজতলা নষ্ট হতে থাকলে ক্ষতিগ্রস্ত হবো।

ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের কৃষক মরিয়ম বেগম বলেন, ‍‍`বীজ ছিটিয়েছি পাঁচদিন হলো। নিয়মিত পরিচর্যাও করছি। তবে ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতের কারনে বীজ গজাতে পারছে না। বীজ নষ্ট হলে চাষাবাদ করবো কিভাবে?‍‍`

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামার বাড়ীর উপপরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‍‍`ঘন কুয়াশায় বোরো বীজতলা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেজন্য আমরা কৃষকদের নানা পরামর্শ অব্যাহত রেখেছি। আমরা কৃষকদের বলে আসছি যেনো তারা সকালে বীজতলার শিশির রশি টেনে ফেলে দেয়। এবং বীজতলা সাদা পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেই। বিকালে সেচ দিয়ে বীজতলা  তলিয়ে রাখতে হবে এবং পরদিন পানি বের করে দিতে হবে। তাহলে চারা ভালো থাকবে।‍‍`
 

আরবি/জেডআর

Link copied!