যশোরে ফের ১৫ টাকা কেজি দরের চাল পেতে যাচ্ছেন এক লাখ ৩৫ হাজার ১৩২ মানুষ। আসন্ন রমজান উপলক্ষে দেয়া হচ্ছে এই চাল। তবে কর্মকর্তারা বলছেন, চলতি বছরের পাঁচ মাস এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকতে পারে। মার্চ, এপ্রিল, অক্টোবর, নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে অসচ্ছল মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হবে কমদামের এই চাল।
খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় জেলার ২৬২ জন ডিলার এই চাল বিতরণ করবেন।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তর থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, জেলার আট উপজেলার ৯৩ টি ইউনিয়নের এক লাখ ৩৫ হাজার ১৩২ মানুষের মধ্যে সদর উপজেলায় ১৮ হাজার ২৯০, মণিরামপুরে ২৩ হাজার ৪১৯, কেশবপুরে ১২ হাজার ৯৮৪, অভয়নগরে ১৬ হাজার ৪৮৪, ঝিকরগাছায় ২২ হাজার ১৭৫, শার্শায় ১৭ হাজার ৬১৭, বাঘারপাড়ায় নয় হাজার ১৬৬ ও চৌগাছায় ১৪ হাজার ৯৯৭ জন এই সুবিধার আওতায় আসবে।
তথ্যানুযায়ী সদর উপজেলায় ৩৭, মণিরামপুরে ৪৬, কেশবপুরে ২৪, অভয়নগরে ৩২, ঝিকরগাছায় ৪৩, শার্শায় ৩১, বাঘারপাড়ায় ১৯ ও চৌগাছায় ৩০ জন তালিকাভুক্ত ডিলার খাদ্যবান্ধবের এই চাল বিতরণ করবেন।
সদর উপজেলার আরবপুর ইউনিয়নের তালিকাভুক্ত একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ৫৫ টাকার চাল যদি ১৫ টাকায় পাই তাহলে সেটিই বা কম কিসে। এখন ৩০ কেজি চাল বাজার থেকে কিনতে হলে কমপক্ষে এক হাজার ৫০০ টাকা লাগবে। সেখানে ৪৫০ টাকায় একই ধরনের চাল পাওয়া যাবে। এটি আমাদের মতো মানুষের খুশির খবর বটে।
তবে এই চাল বিতরণ নিয়ে কিছু মানুষের ক্ষোভ রয়েছে। শাহিনুর আলম নামে এক ব্যক্তি বলেন, যারা দীর্ঘদিন ধরে ১৫ টাকায় চাল পেয়েছেন তারাই আবার পাচ্ছেন। আর যারা বঞ্চিত ছিল তারা বঞ্চিতই থেকে যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সেফাউর রহমান বলেন, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল নিয়ে যাতে সামান্যতম অভিযোগ না আসে সেদিকে কঠোর নজরদারী করা হবে। তারপরও কেউ যদি কোনো অনিয়ম করে সঙ্গে সঙ্গে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আপনার মতামত লিখুন :