জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে পৃথক ঘটনায় তিন জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এদের মধ্যে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়ে একজন, শ্বাসরুদ্ধকরে একজন ও ফাঁসিতে ঝুলে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের পরমানন্দপুর, কামরাবাদের বড়বাড়ীয়া, পিংনার কাওয়ামারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।
নিহতরা হলেন-পরমানন্দপুর গ্রামের মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মমিনুল ইসলাম মমিন, বড়বাড়ীয়া গ্রামের পেঁচা মন্ডলের ছেলে মোস্তফা মন্ডল, কাওয়ামারা গ্রামের আসাদুল ইসলামের ছেলে ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থী তামিম।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ধনবাড়ি মুশুদ্দি এলাকার মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মমিনুল ইসলাম মমিন। বুধবার বিকালে মমিন ও তার ছোটবোন ডোয়াইল ইউনিয়নে নানা বাড়ীতে বেড়াতে আসে। সন্ধ্যার পর রাতের খাবার খেয়ে নানার সাথে মুশুদ্দি মাজারে ওরস শরীফে বেড়াতে যায়। ওরস শরীফে বেড়ানোর সময় মুমিনকে হারিয়ে ফেলে নানা। পরে নানা তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করার পর না পেয়ে বাড়ী চলে যায়। বৃহস্পতিবার সকালে মমিনের মরদেহ ধানক্ষেতে দেখতে পায় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
অপরদিকে উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের বড়বাড়ীয়া এলাকায় ধানক্ষেতে পানিসেচ দিতে গিয়ে সেচপাম্পের বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়ে মোস্তফা মন্ডল (৪২) নামে এক কৃষকের মারা যায়।
নিহত কৃষক মোস্তফা মন্ডল উপজেলার কামরাবাদ ইউনিয়নের মৃত পেঁচা মন্ডলের ছেলে। সে বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ীর পাশে ধানক্ষেতে পানি দিতে সেচপাম্প চালু করতে যায়। এসময় তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠ হয়ে ধানক্ষেতে পড়ে থাকেন। পরে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ছাড়াও পিংনা ইউনিয়নের কাওয়ামারা পূর্বপাড়া গ্রামের আসাদুল এর ছেলে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী তামিম গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।