ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল হক নুরসহ ২৯ নেতার বিরুদ্ধে মামলা করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। সোমবার (২৪ মার্চ) রাতে খুলনা থানায় এ মামলা করা হয়।
এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকে মারধর করে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে গণঅধিকার পরিষদের আরও চার নেতার বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা হয়েছে। অন্যদিকে গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৫৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
জানা যায়, নগরীর শান্তিধাম মোড়ে পঞ্চবিথি ক্লাব দখলে করে গণধিকার পরিষদ খুলনা মহানগর অফিসের সাইনবোর্ড টানানো হয়। সেখানে স্থানীয় জনগণকে আটকিয়ে রেখে জোর করে চাঁদা আদায়সহ নানা অসামাজিক কার্যক্রম চলে। এ বিষয়টি স্থানীয়রা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীদের কাছে অভিযোগ করে।
গত ১৮ মার্চ রাতে ছাত্রনেতারা পঞ্চবিথী ক্লাবের সামনে গেলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছাত্রদের সাথে গণধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ঘটনা ঘটে। দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরে সেনাবাহিনী ও সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ঘটনায় উভয় গ্রুপের ২০/২৫ জন আহত হয়।
গত ২০ মার্চ গণঅধিকার পরিষদের গণঅধিকার পরিষদের খুলনা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক শেখ রাশেদুল ইসলাম বাদী হয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ-সমন্বয়ক ও খুলা জেলা কমিটির সদস্য সচিব সাজিদুল ইসলাম বাপ্পিসহ ৫৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
অন্যদিকে একই ঘটনায় ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল হক নূর, খুলনা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক শেখ রাশেদুল ইসলামসহ ২৯ নেতার বিরুদ্ধে খুলনা সদর থানায় মামলা হয়। সোমবার রাত ৯টায় খুলনা থানায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মহানগর কমিটির সদস্য মো. নাঈম হাওলাদার বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।
এ ছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতাকে মারধর করে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে গণঅধিকার পরিষদের আরো ৪ নেতার বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা হয়েছে। সোমবার রাত ৯টায় জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য শেখ সাকিব আহম্মেদ বাদী হয়ে খুলনা থানা এ মামলা করেন।
এ ব্যাপারে খুলনা সদর থানার ওসি হাওলাদার সানওয়ার হুসাইন মাসুম জানান, দুই পক্ষেরই পৃথক ৩ মামলা হয়েছে। মামলার তদন্ত শেষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।
আপনার মতামত লিখুন :