ঢাকা মঙ্গলবার, ০১ এপ্রিল, ২০২৫

দুদিন ধরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বয়ে যাচ্ছে যশোরে

যশোর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মার্চ ২৯, ২০২৫, ০৮:১৬ পিএম
ছবি: রূপালী বাংলাদেশ

দুইদিন ধরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বয়ে যাশোরে। কাঠ ফাটা রোদ যেন আগুনের ফুলকি মনে হচ্ছে।

তীব্র গরমে মানুষ হাপিয়ে উঠছে। শনিবার (২৯ মার্চ)  বিকেল চারটার দিকে ৩৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে যশোর বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান বিমান ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণাধীন আবহাওয়া অফিস। এর আগে শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা  ছিলো যশোরে ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

দাবদাহে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন  শ্রমজীবী মানুষ।  কেননা চাইলেই গরমে বিশ্রাম নেয়ার সুযোগ নেই তাদের।

জীবিকার তাগিদে এই তীব্র গরমের মধ্যেও কষ্ট করতে হচ্ছে এরপরও গরমের কারণে কমেছে তাদের আয়ও। এ ছাড়া তীব্র গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা প্রাণিকুলে। এ আবহাওয়া কয়েকদিন অব্যহত থাকবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিস।

মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বইতে থাকায় জনজীবনে অস্বস্তি নেমে এসেছে।

ঈদুল ফিতর সমাগত। বিগত বছরগুলোতে ঈদ সামনে রেখে শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি এবং বিপণিবিতানগুলোতে জমজমাট বেচাকেনা চললেও এ বছর গরমের কারণে শহরে দিনের বেলা মানুষের উপস্থিতি কম।

কালেক্টরেট মসজিদ মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ী আলতাপ হোসেন বলেন, ‘তাপপ্রবাহের কারণে বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কম।

যে কারণে বেচাকেনায় প্রভাব পড়েছে। গত কয়েক দিন তাপদাহ হলেও প্রতিনিয়ত বাড়ছে।

শহরের দড়াটানাতে হাবিবুর রহমান নামে এক অ্যাডভোকেট বলেন, ‘দু দিন যশোরে তীব্র তাপদাহ বয়ে যাচ্ছে। রৌদুরে সব পুড়ে যাচ্ছে।

যেহেতু দু’একদিন পরেই ঈদ। তাপদাহ হলেও বাধ্য হয়ে মার্কেটে আসতে হচ্ছে। এসেই গরমে কাহিল হয়ে পড়েছি।’ তবিবর নামে এক রিকসা চালক বলেন, ‘মনে হচ্ছে আগুন উড়ছে। রিকসা চালাতে কষ্ট হচ্ছে, জীবিকার তাগিদে বের হতে হচ্ছে। পিচের তাপের আঁচ মুখে লাগতেই মনে হচ্ছে মুখ পুড়ে যাচ্ছে।