ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল, ২০২৫

মুক্তাগাছায় ধর্ষককে ধরে পুলিশে দিলেন জামায়াত নেতা

মুক্তাগাছা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: এপ্রিল ২, ২০২৫, ০৬:১৯ পিএম
প্রতীকী ছবি

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণকারী ধর্ষক দুলালকে ধরে পুলিশে দিয়েছেন জামায়াত নেতা। 
বুধবার দুপুরে কাশিমপুর ইউনিয়নের ঝনকা খাইরারপাড় এলাকায় দুলালের বোনের বাড়ি থেকে তাকে ধরে কাশিমপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নজরুল ইসলামসহ জামায়াতের নেতাকর্মীরা।

দুলালকে ধরে তারা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করে মুক্তাগাছা থানার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। থানা পুলিশ নিমুরিয়া এলাকার বরিল বিলের ব্রিজ পর্যন্ত পৌছলে দুলালকে সেখানেই পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন জমায়াত নেতা নজরুল ইসলাম। পরে থানা পুলিশ দুলালকে থানায় নিয়ে আসে।

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় শ্বশুর বাড়িতে ঈদের দিন বেড়াতে নিয়ে গিয়ে ৯বছর বয়সী এক শিশুকে রাতভর ধর্ষণ করে মোঃ দুলাল। ওই শিশু মহিষতারা আহাম্মদিয়া এতিমখানা মাদরাসার নূরানী বিভাগের ছাত্রী। গত মঙ্গলবার পুলিশ আহত ভিকটিমকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

এ ঘটনায় উত্তেজিত গ্রামবাসী একত্রিত হয়ে ধর্ষকের বাড়িতে হামলা করে বাড়ি ঘর ভাংচুর করে এবং আগুন দেয়। পরে জনতা আসামিকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতাকারী আব্দুল মজিদকে মারধর করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। এক পর্যায়ে উত্তেজিত জনতা মজিদের দোকান ও বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে।

এ ব্যাপারে কাশিমপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম জানান, ‘আমরা গোপনসূত্রে ঝনকা খাইরারপাড় এলাকায় দুলালের বোনের বাড়ি থেকে দুলালকে ধরি।’

এ বিষয়ে মুক্তাগাছা থানার ওসি  কামাল  হোসেন জানান, ‘ঘটনার সাথে জড়িত দুলাল উদ্দিনকে অনেক চেষ্টার পর গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিঙ্গাসাবাদে সে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। তাকে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে বাঁচাতে গোপনীয়তার সাথে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তবে আসামীকে না পেয়ে উত্তেজিত এলাকাবাসী তার বাড়ি ঘর আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছে।’