পার্বত্য চট্টগ্রামে চাঁদাবাজি বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, কোনো চাঁদাবাজদের ছাড় দেওয়া হবে না। সে যত বড় টাই-স্যুট পরা হোক না কেন। পাশাপাশি পাহাড় এবং সমতল, সর্বত্রই অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর অবধি বিজিবির বাঘাইহাট ব্যাটালিয়ন এবং সাজেক বিওপি পরিদর্শন শেষে দুপুরে রাঙামাটিতে আসেন। এ সময় বিজিবি রাঙামাটি সেক্টর সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব মন্তব্য করেন তিনি।
মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘৫ আগস্টের পর দেশের অনেক জায়গায় থানা লুট হয়েছে। লুট হওয়া সব হাতিয়ার এখনো উদ্ধার হয়নি।
এই হাতিয়ারগুলো উদ্ধার হয়ে গেলে আইনশৃঙ্খলার সমস্যা সমাধান হয়ে যেত। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করতে বাহিনীগুলোর লজিস্টিক সাপোর্ট এবং স্ট্রেংথ আরও বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। পাহাড়ে যাতে কোনো প্রকার চাঁদাবাজি না হয় এ জন্য আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি, পাশাপাশি আমাদের পার্বত্য উপদেষ্টা মহোদয়ও এই ব্যাপারে সজাগ আছেন এবং চেষ্টা করছেন।’
ভারতীয় মিডিয়ার সমালোচনা করে উপদেষ্টা বলেন, ‘মিথ্যা বলার জন্য পুরো বিশ্বে তারা চ্যাম্পিয়ন’।
ওদের কয়েকটি মিডিয়া আছে শুধু গুজব ছড়ানোর জন্য। আমাদের দেশের মিডিয়া যদি সত্য সংবাদটি প্রচার করে, তাহলে দেশ এবং সরকারের জন্য ভালো।
আমি অনুরোধ করব আমাদের দেশের মিডিয়া সঠিক ও সত্য সংবাদ প্রকাশ করে এই গুজবকে প্রতিহত করবে।’
সংবাদ ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ জাহিদ কামাল, রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ, পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেনসহ প্রমুখ।
আপনার মতামত লিখুন :