বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান বলেছেন, একলা নির্বাচন করলে তিনটা সিট পাবে না, কিন্তু ৩০০ সিটের পাওয়ার দেখাইতেছে। প্রশাসন দখল করে বসছে। দুই পারসেন্ট লোক নাই। পায়ের ওপর পা তুলে কথা বলে। ইউএনও, ডিসি চলে তাদের কথায়। প্রশাসন চলে তাদের কথায়।
বুধবার (২ এপ্রিল) কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার জুড়ি ইউনিয়ন বাজারে ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ফজলুর রহমান বলেন, ‘আমি জামায়াতের আমীরকে জিজ্ঞেস করব, আমি একটা কথা মিছা কইছি কি না? তাহলে আপনার শিবির ও জামায়াতের কর্মীরা আমারে এত বকাবকি করে কেন? আমারে ফজু পাগলা কয় কেন? ঠিক আছে আপনারা পাল্লা (দাড়িপাল্লা প্রতীক) নিয়া করবেন, আমরা ধানের শীষ নিয়া করব। পাবলিককে ডিসিশন নিতে দেন। পাবলিক যারে ভোট দিব, হে দেশ চালাইব। খালি বকাবকি করেন কেন?’
‘আর পেছন দিক দিয়ে কালো অন্ধকারে বসে কুট কুট করেন কেন? ১০ বছর কেমনে বিনা ভোটে থাকা যায়। কারণ জানেন, ভোট করলে জামানত থাকবে না। কূটকৌশল করে ক্ষমতায় থাকতে চান। এইটা কইলেই ফজলুর রহমান খারাপ।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইউনূস সাব যেই কথাটা কইতে পারে না ওই কথাটা কওয়ায় ভদ্র মহিলা রেজওয়ানা হাসানকে দিয়া। উনি কয়েক দিন পরে গলা টান দিয়া কইছে- স্যার কইছে ইলেকশন ডিসেম্বর মাসে দেবে। তবে ছয় মাস দেরি করে জুন মাসে হইতে পারে। জুন মাস যখন হয়ে যাবে তখন বলবে আরে জুন মাসে তো আওয়ামী লীগের জন্মদিন।’
‘ফ্যাসিস্টের জন্মদিনে তো কোনো ইলেকশন হতে পারে না। এরপর কইবো আগস্ট-সেপ্টেম্বর ওই সময়তো আমরা আন্দোলন করছিলাম। বিপ্লবের মাস ওই মাসে ইলেকশন করব না। আর অক্টোবর-নভেম্বরে তো বৃষ্টি। নভেম্বর-ডিসেম্বরে হইবো (নির্বাচন)। এইভাবে ইলেকশনটা টানটান কইরা কূটকৌশল কইরা পিছাইতাছে।’
পথসভায় উপস্থিত ছিলেন ফজলুর রহমানের সহধর্মিণী সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী উম্মে কুলসুম রেখা, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এসএম কামাল, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুজ্জামান ঠাকুর (স্বপন), উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক তরিকুল ইসলামসহ (জুয়েল) উপজেলা বিএনপির নেতারা।