বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের (বিজেএস) ১৭তম সহকারী জজ নিয়োগ পরীক্ষায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের মোট ২৮ জন শিক্ষার্থী সহকারী জজ হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। গত রোববার বিকেলে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন সচিবালয়ের ওয়েবসাইটে এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে ২৪ জন ও আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগ থেকে ৪ জন শিক্ষার্থী মনোনীত হয়েছেন বলে এখন পর্যন্ত জানা গেছে।
আজ বুধবার দুপুরে ২৮ জন সুপারিশপ্রাপ্তের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের অধিকর্তা আবু নাসের মো. ওয়াহিদ।
অনুষদসুত্রে জানা গেছে, সহকারী জজ হওয়ার তালিকায় আছেন রাবির আইন বিভাগের শাহজাহান আলী মিলন (৫ম), ফাইকা তাহজীবা (৭ম), অনিক আহমেদ (৪৯তম), মেহেদী শান্ত (৬০তম), সানজিদা আক্তার সুমা (১৩তম), ফায়েজা ফারহানা (৪৫তম), সুবাস চন্দ্র পাল (১২তম), রাকিবুল হাসান আনন্দ (২১তম), সাদিয়া নুসরাত (৮৭তম), মাহমুদুল হাসান মুন্না (৫৩তম), আবু ইউসুফ ফয়সাল (৩৯তম), তাসনিম রেজওয়ানা হক খান (২২তম), এম.এ. রায়হান সুপ্ত (২৭তম), এলিনা রশীদ (৮৬তম), খাদিজাতুল কুবরা শান্ত (৯৯তম), মো. সাব্বির আলম সাজু (৩৬তম), জাহিদ হাসান (২৪তম)।
এ ছাড়াও সোহেল রানা, গগন পাল, ওমর ফারুক, ফারহানা সুলতানা, হামিদা মাসুম লিয়া, ফারহানা বিনতে ইসলামের পজিশন জানা যায়নি। আইন বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী বিজেএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও তার পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগ থেকে চারজন শিক্ষার্থী সহকারী জজ পরীক্ষায় সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। তারা হলেন- রুইমুল ইসলাম (২৬তম), তানসেনা হোসেন মনীষা (২৫তম), কাজী মোহাম্মদ নোমান (৩১তম) ও ইয়াসমিন আরা মুক্তা (৬৫তম)।
বিজেএস পরীক্ষায় সুপারিশপ্রাপ্ত আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী ইয়াসমিন আরা মুক্তা বলেন, এটা আমার প্রথম বিজেএস পরীক্ষা ছিল। প্রথম পরীক্ষাতেই সুপারিশপ্রাপ্ত হতে পেরে আমি আনন্দিত। আমার এই সাফল্যের পেছনে যারা অবদান রেখেছেন সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমাদের আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগ থেকে এর আগে ১৪, ১৫ ও ১৬তম বিজেএস পরিক্ষায় ৪ জন সুপারিশপ্রাপ্ত হয়। তবে এবার ১৭তম তে আমরা ৪ জন সুপারিশ প্রাপ্ত হয়েছি। এটা আমাদের বিভাগের জন্য তথা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য খুব গর্বের বিষয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের অধিকর্তা আবু নাসের মো. ওয়াহিদ বলেন, এখন পর্যন্ত আমাদের অনুষদ থেকে ২৮ জন শিক্ষার্থী বিজেএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে বলে জানা গেছে। যেটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। শিক্ষার্থীরা তাদের এই সাফল্যের ধারা ভবিষ্যৎ জীবনেও অব্যাহত রাখবে বলে আমি আশাবাদী। আমি মনে করি তাদের হাত ধরে দেশে ন্যায়বিচার ও সুশাসন নিশ্চিত হবে।