সংগীতাঙ্গনের জীবন্ত কিংদবন্তি সৈয়দ আব্দুল হাদী। অনেক দিন ধরেই নতুন গানে নেই তিনি। নতুন গান গাওয়া প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন। কিন্তু চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, সহকারী নির্বাহী পরিচালক (হিসাব) জিয়াউল হাসান ও সংগীত পরিচালক, সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার আজম বাবু গত দুই বছরেরও অধিক সময় ধরে চেষ্টা করছিলেন সৈয়দ আব্দুল হাদীকে দিয়ে নতুন গান করানোর জন্য। অবশেষে তাদের সেই চেষ্টা সফল হয়েছে।
সৈয়দ আব্দুল হাদী দর্শক-শ্রোতাদের জন্য নতুন চারটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। আজম বাবুর পরিকল্পনা ও পরিচালনায় আগামী ঈদের দিন বিকেল ৫.৩০ মিনিটে চ্যানেল আইয়ের পর্দায় ‘জীবনের গান’ নামক অনুষ্ঠানে প্রচার হবে। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনায় আছেন জীবন্ত কিংবদন্তি গীতিকার মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান।
সবগুলো গানের সংগীতায়োজন করেছেন বিনোদ রায়। আর গানগুলো ভিডিও আকারে চ্যানেল আইতে প্রচারের জন্য ভিডিও নির্দেশনায় ছিলেন আজম বাবু। মূলত আজম বাবুর অনেক কষ্টের পর এই আয়োজন দর্শকের কাছে পৌঁছাতে যাচ্ছে আগামী ঈদের দিন। যে কারণে আজম বাবু নিজেও ভীষণ উচ্ছ্বসিত।
নতুন চারটি গানের মধ্যে দুটি গান মোহাম্মদ রফিকউজ্জামানের। বাকি দুটি গান সঞ্জয় শীল (সুর পুণম মিত্র) ও রূপা দেবনাথের। তিনটি গানের সুর করেছেন সৈয়দ আব্দুল হাদী।
এ প্রসঙ্গে সৈয়দ আব্দুল হাদী বলেন, ‘আমিতো আসলে সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছিলাম যে আর নতুন গান করব না। কিন্তু সাগর, জিয়া আর বাবু আমাকে অনেকটাই জোর করেই গাওয়ালো। সত্যি বলতে কী তাদের অবশ্য আমার প্রতি ভীষণ আন্তরিকতার কারণেই আমি তাদের না করতে পারিনি। ওরা আমাকে এত ভালোবাসে, শ্রদ্ধা করে কেমন করেই বা না করি।
তা ছাড়া মোহাম্মদ রফিকউজ্জামানের সঙ্গে আমার ষাট বছরের বন্ধুত্ব। কিছুদিন আগেই তার পাঠানো একটি গান আমার মনে লাগলো। যেহেতু আমরা সমবয়সীও বটে। জীবনের ব্যাপারে আমাদের আবেগ অনুভূতি বলা যায় একজই রকম। সে কারণে ইচ্ছে হলো গানটা গাই। এভাবেই আসলে গানগুলো করা হয়ে গেছে।’