চলতি বছর অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রকাশিত হয়েছে লেখক, সাংবাদিক, উপস্থাপক সৈয়দ ইফতেখার-এর গল্পের বই, ‘ডাইনোসর গ্রহে অভিযান’। নাম শুনেই যে কেউ বলবে শিশুদের অ্যাডভেঞ্চারই বইটির প্রধান উপজীব্য। যেখানে রয়েছে নানা রহস্যও।
প্রকাশনা জলপরি এবং বাবুই প্রকাশনীর শিশুতোষ বইটির প্রচ্ছদ করেছেন মোস্তাফিজ কারিগর। এর প্রকাশক মোরশেদ আলম হৃদয়। ‘ডাইনোসর গ্রহে অভিযান’- বইমেলায় পাওয়া যাচ্ছে স্টল ৩৯৩-৯৪-৯৫-৯৬ এবং শিশু চত্বরে স্টল ৮৭৫-এ।
‘ছড়ার দেশে, যাচ্ছি ভেসে, হেসে হেসে’ ছিল লেখকের প্রথম বই, যা ২০২৩ সালে প্রকাশিত হয়। সেটি প্রকাশ করে ইন্তামিন প্রকাশন।
সৈয়দ ইফতেখার বাংলাদেশের টেলিভিশনের পরিচিত মুখ। বর্তমানে তিনি উচ্চতর ডিগ্রি ও গবেষণার জন্য কানাডায় অবস্থান করছেন।

ঢাকায় সংবাদ, অনুষ্ঠান ও টকশো উপস্থাপনা করেছেন বহু বছর ধরে। কাজ করেছেন বার্তাকক্ষে, সামলেছেন আন্তর্জাতিক বিভাগের দায়িত্ব। করেছেন নাটক, টেলিফিল্মে অভিনয়ও। এর আগে সৈয়দ ইফতেখারের দুটি যৌথ গ্রন্থ প্রকাশ পায়, যার একটি কবিতা ও আরেকটি ছড়া।
ছড়ার মাধ্যমে ২০০৬ সাল থেকে জাতীয় পত্রপত্রিকায় লেখালেখি শুরু করেন সৈয়দ ইফতেখার। ধীরে ধীরে কলম, কী-বোর্ডের সীমানা বিস্তৃত করেন কবিতা, গল্প, উপন্যাস, ফিচার ও কলামে। সাংবাদিকতায় পড়াশোনা সম্পন্ন করেন ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ থেকে। পরবর্তীতে আরও উচ্চ শিক্ষা নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগে। সেই সঙ্গে সাংবাদিকতার খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবেও কাজ করেছেন। নিতান্তই শখের বসে নির্মাতা হিসেবে তৈরি করেছেন প্রামাণ্যচিত্র ও শর্ট ফিল্ম।
২০০৭ সালে তরুণ বয়সে ইফতেখারের সাংবাদিকতায় হাতেখড়ি একুশে টেলিভিশনের মাধ্যমে। পরে কয়েকটি পত্রিকা ও অনলাইনে কাজ করেন প্রতিবেদক পদে। ২০১৪ সালে যুক্ত হন বসুন্ধরা গ্রুপের অনলাইন নিউজপোর্টাল বাংলানিউজে। বার্তাকক্ষে কাজের পাশাপাশি বিশেষ প্রতিবেদন তৈরি করে কাটে বছর চারেক। সেখান থেকে যোগ দেন শীর্ষ সংবাদভিত্তিক চ্যানেল সময় টেলিভিশনে। ২০২১ সালের শেষে আন্তর্জাতিক বিভাগের প্রধান হিসেবে কাজ শুরু করেন দেশের প্রথম বিজনেস চ্যানেল ‘এখন টেলিভিশনে’।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে সৈয়দ ইফতেখার ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায় আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলনে তরুণ লেখক হিসেবে সম্মাননায় ভূষিত হন। তার পৈতৃক ভিটা উত্তরবঙ্গে হলেও ঢাকায় জন্ম এবং বেড়ে ওঠা।
আপনার মতামত লিখুন :