শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল, ২০২৫

সবচেয়ে জটিল হাতঘড়ি

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৩, ২০২৫, ০৩:০০ পিএম

সবচেয়ে জটিল হাতঘড়ি

ছবি: ইন্টারনেট

ঘড়ির জগতে ‘জটিলতা’ বলতে সময় জানানোর বাইরের যেকোনো অতিরিক্ত ফিচার বা বিশেষত্বকে বোঝায়, যেমন- গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার বা চাঁদের অবস্থান দেখানো। আর ভ্যাচেরন কনস্টান্টিনের নতুন ‘লে কাবিনোতিয়ে সোলারিয়া আল্ট্রা গ্র্যান্ড কমপ্লিকেশন’ মডেলে এমনই রেকর্ড ৪১টি ফিচার রয়েছে।

এটি সূর্যের অবস্থান অনুসরণ করে। চারটি ছোট ঘণ্টায় হাতুড়ির আঘাতে শব্দ তোলে। এমনকি কখন নির্দিষ্ট কিছু নক্ষত্র পৃথিবী থেকে দেখা যাবে, তাও জানায়।

সুইস ঘড়ি নির্মাতা ভ্যাচেরন কনস্টান্টিনের নতুন মডেলের এই ঘড়িটি শুধু অভিনব ফিচারেই পরিপূর্ণ নয়, এটি আনুষ্ঠানিকভাবে এখন পর্যন্ত তৈরি করা সবচেয়ে জটিল যান্ত্রিক হাতঘড়ি।

ঘড়ির জগতে নতুন ‘লে কাবিনোতিয়ে সোলারিয়া আল্ট্রা গ্র্যান্ড কমপ্লিকেশন’ মডেলে এমনই রেকর্ড ৪১টি ফিচার রয়েছে।

এতে মোট ১,৫২১টি আলাদা যন্ত্রাংশ রয়েছে। নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নিজেদের অনন্য এই আবিষ্কার সুরক্ষিত রাখতে ১৩টি পেটেন্টের আবেদন করেছে, যার মধ্যে সাতটি ঘণ্টার শব্দ তৈরির যন্ত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত।

ঘড়িটি সময় দেখানোর জন্য তিনটি পদ্ধতি ব্যবহার করে। প্রথাগত ২৪ ঘণ্টা সময়, সাইডেরিয়াল সময় (পৃথিবী তার অক্ষের চারপাশে ঘুরতে যে সময় নেয় এবং তা একটি ক্যালেন্ডার দিনের চেয়ে প্রায় চার মিনিট কম) এবং সৌর দিন (পৃথিবীর বক্রাকার কক্ষপথ অনুযায়ী সমন্বয় করা হয়েছে)।

ঘড়িটির আরও জটিল কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব, যা সূর্যের অবস্থান, উচ্চতা, গতি এবং পৃথিবীর বিষুবরেখার সঙ্গে কোণ নির্ধারণ করে। এছাড়া এতে একটি চক্রাকার ডিসপ্লে রয়েছে, যা ১৩টি রাশিচক্রের নক্ষত্রমণ্ডল দেখায় এবং জানায়, কবে আকাশে ওই নক্ষত্রগুলো দৃশ্যমান হবে।

এই ঘড়ির কেস ১৮ ক্যারেট সাদা সোনা দিয়ে তৈরি। এতে ২০০টিরও বেশি রত্ন রয়েছে, যার মধ্যে একাধিক নীলকান্তমণির চাকতি রয়েছে।
 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!