শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল, ২০২৫

চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন শুনানি আজ

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৫, ০৯:২৯ এএম

চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন শুনানি আজ

ফাইল ছবি

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় সাত বছরের দণ্ডের বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার আপিল মঞ্জুর করে হাইকোর্টের দেওয়া খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করেছে।

রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চে এই আবেদনটি শুনানির জন্য ৫ নম্বর ক্রমিকে রাখা হয়েছে।

এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের এবং বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবী মো. মকসুদ উল্লাহ।

গত বছরের ২৭ নভেম্বর হাইকোর্টের বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দিয়েছিল।

রায়ে খালেদা জিয়া ছাড়াও হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম ও সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খানও খালাস পান।

হাইকোর্টে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এছাড়া দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আসিফ হাসান।

হাইকোর্টের রায়ের দিন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও কায়সার কামাল বলেন, এই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনের দণ্ড মওকুফ করা হয়েছে। তারপরও আপিল শুনানি কেন? আমরা বলেছি, তিনি (খালেদা জিয়া) আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। রাষ্ট্রপতি মওকুফ করেছেন, সেখানে ক্ষমার কথা রয়েছে। খালেদা জিয়া ক্ষমার প্রতি বিশ্বাসী নন, তিনি অপরাধ করেননি এবং তিনি ক্ষমাও চাননি। তাই আইনি পথে মোকাবিলা করতে তিনি আইনজীবীদের নির্দেশ দিয়েছেন।

এই মামলায় হাইকোর্টের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশের পর রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) দায়ের করে।

২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক ভবনের সাত নম্বর কক্ষে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মো. আখতারুজ্জামান (বর্তমানে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি) খালেদা জিয়াকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেন। একইসাথে তাকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মামলার অপর তিন আসামিরও একই সাজা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত অপর তিন আসামি হলেন—সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী (প্রয়াত), হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা (প্রয়াত) এর একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

আরবি/এফআই

Link copied!