চাচার হোটেল কর্মচারীর দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক শিশু। ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদপুর জেলায়। সবসময় বাড়িতে আশা-যাওয়ার কারণে সম্পর্ক ভালো ছিল ওই কিশোর ও শিশুটির মধ্যে। যার কারণে সেই কিশোরের সঙ্গে বাড়ি বাইরে যেতে রাজি হয় সেই শিশু।
জানা যায়, ফরিদপুরে চার বছর বয়সি এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ১৩ বছর বয়সি এক কিশোরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন এলাকাবাসী। ওই কিশোর শিশুটিকে বাইসাইকেলে ঘোরানোর কথা বলে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পরিবারের।
শুক্রবার রাত ৮টার দিকে ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শনিবার বিকেল ৩টার দিকে নির্যাতিত শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেছেন।
ভুক্তভোগী শিশুটিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান–স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত কিশোরকে শিশু আদালতে সোপর্দ করা হয়।
মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ওসি মো. আসাদউজ্জামান বলেন, অভিযুক্ত কিশোর ভুক্তভোগী শিশুটির চাচার হোটেলের কর্মচারী।
গতকাল রাত ৮টার দিকে ওই কিশোরকে হোটেল থেকে বাড়িতে পাঠানো হয় মশার কয়েল দিয়ে। এ সময় কিশোরটি ওই শিশুকে বাইসাইকেলে ঘোরানোর কথা বলে তাকে নিয়ে বের হয়। রাত ৮টার দিকে শিশুটিকে বাড়ির অদূরে একটি মেহগনি বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করে সে। এ সময় শিশুটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গেলে ওই কিশোর শিশুটিকে ফেলে রেখে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তখন এলাকাবাসী তাকে ধরে পিটুনি দিয়ে কোতোয়ালি থানা-পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।
ওসি আসাদউজ্জামান আরও জানান, এ ঘটনায় শিশুটির বাবার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। আসামি কিশোরকে শিশু আদালতে সোপর্দ করা হয়।