বিমসটেক সম্মেলন উপলক্ষ্যে বর্তমানে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অবস্থান করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
সম্মেলনের ফাঁকে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে’র সঙ্গে বৈঠক করবেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ব্যাংককে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।
দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে বিমসটেকের ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে এদিন স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে ব্যাংকক পৌঁছান প্রধান উপদেষ্টা। এরআগে সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে ব্যাংকের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়েন তিনি।
সফরের প্রথমদিন আজ ম্মেলনের ইয়ুথ কনফারেন্সে যোগ দেন ড. ইউনূস। দ্বিতীয় দিন শুক্রবার তিনি সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন। এছাড়া সাইডলাইনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে তার।
ওই সময়ই থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে’র সঙ্গে বৈঠক হতে পারে।
এদিকে সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
শুক্রবার (৪ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে সাইডলাইনে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি হবে, যা ব্যাংকক সময় বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে শুরু হওয়ার কথা।
এছাড়াও তৃতীয় দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে পরবর্তী ২ বছরের জন্য বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেবে বাংলাদেশ।
ব্যাংককে ব্রিফিংয়ে প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, ‘বিমসটেক বে অফ বেঙ্গলকে ঘিরে একটা রিজনাল গ্রুপ। এই গ্রুপের যথেষ্ট পটেনশিয়ালিটি আছে। সেই পটেনশিয়ালিটিটা আমরা আসলে অর্জন করতে পারিনি। প্রফেসর ইউনূস এটার ওপর আরও জোর দেবেন।’
‘তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হওয়ার পর থেকেই বলেছেন যে, আমাদের আশপাশে যে সার্ক আছে, বিমসটেক আছে, সেগুলোকে যেকোনোভাবে হোক আরও সক্রিয় করতে হবে। যাতে করে বাংলাদেশ তার রিজনাল কোঅপারেশন ফ্রেমে তার কথাগুলো বলতে পারে। তাদের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পিপল টু পিপল কো-অপারেশনগুলো আরও দৃঢ় হয়। এই জায়গা প্রফেসর ইউনূসের একটা স্পষ্ট পলিসি আছে।’
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামনে সুসম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ইউএসের পক্ষ থেকে বিগিনিং অব কনভেন্সেশনে আমরা এটা যাচাই-বাছাই করছি, যার কারণে আমরা এমনভাবে মুভ নিচ্ছি। আমরা মনে করি, ইউএসের সঙ্গে সামনে সুসম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। আমরা এ বিষয় নিয়ে এমন একটা সলিউশনে যাব, যাতে দু’পক্ষের জন্য উইন উইন হয়। আমরা আশাবাদী, যা হবে তা দু’পক্ষের জন্য মঙ্গলজনক হবে।’
আপনার মতামত লিখুন :