ঢাকা শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

নাহিদের একাউন্টে কত টাকা ঢুকল?

রূপালী ডেস্ক
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৫, ০৯:২৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

উপদেষ্টা পদে থাকাকালীন কত টাকা পেয়েছেন তার হিসেব দিয়েছেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক মো. নাহিদ ইসলাম।

নতুন রাজনৈতিক দলে যুক্ত হওয়ার জন্য গত মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) পদত্যাগ করেন তিনি। এরআগে অর্ন্তবর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছিলেন।

তবে তার সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে তার নামে নানা গুজব ছড়ানো হয়। বিভিন্ন পোস্টে তার বিরুদ্ধে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেয়ার কথা উল্লেখ করা হয়।

 

ওইসব পোস্টের জবাবে বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে তার ফেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তার সোনালী ব্যাংকের অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত হিসাবও তোলে ধরেন। তিনি এও জানান যে এই হিসেবের বাইরে তার কোন একাউন্ট নেই। তাছাড়া তার পরিবারের কারো নামে এই সময়ে কোন জমি কেনা হয়নি বলেও জানান তার পোস্টে।

পোস্টে নাহিদ লেখেন, ‘উপদেষ্টা পদে যোগদানের আগে আমার কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছিল না। ২১ আগস্ট উপদেষ্টা পদে দায়িত্ব পালনের জন্য সম্মানী গ্রহণের লক্ষ্যে সরকারিভাবে সোনালী ব্যাংকে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলি। ওই অ্যাকাউন্টে ২১ আগস্ট ২০২৪ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত লেনদেনের হিসাব জনগণের কাছে উপস্থাপন করছি।’

‘ওই হিসাবে ১০,০৬,৮৮৬ (দশ লাখ ছয় হাজার আটশত ছিয়াশি) টাকা জমা হয়েছে এবং ৯,৯৬,১৮৮ (৯ লাখ ছিয়ানব্বই হাজার একশত আটাশি) টাকা উত্তোলিত হয়েছে। উল্লেখ্য, সোনালী ব্যাংকের এ অ্যাকাউন্টটি ছাড়া আমার অন্যকোনো অ্যাকাউন্ট নেই।’

নাহিদ লেখেন, ‘উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালীন, আমার বা আমার পরিবারের কোনো সদস্যের (স্ত্রী/মা/বাবা) নামে বাংলাদেশের কোথাও জমি বা ফ্ল্যাট নেই বা আমার বা আমার পরিবার কর্তৃক ক্রয় করা হয়নি।’

 

তিনি আরও লিখেন, ‘আমার একান্ত সচিবের ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ-এর হিসাবে ৩৬,০২৮ (ছত্রিশ হাজার আটাশ) টাকা রয়েছে। উনি একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ওনার নিজের নামে বা ওনার পরিবারের (স্ত্রী/মা/বাবা) কারো নামে বাংলাদেশের কোথাও কোনো সম্পত্তি ক্রয় করা হয়নি। এছাড়া আমার ব্যক্তিগত কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট যে কারও সম্পদের স্বচ্ছ হিসাব রয়েছে। প্রয়োজনে উন্মুক্ত করা হবে। তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ অনুযায়ী বাংলাদেশের যে কোনো সরকারি দপ্তরে ওই তথ্য যাচাইযোগ্য।’