চাচা আজিজ আহমেদ সেনাবাহিনী প্রধান হওয়ার পর ভাতিজার শখ কাউন্সিলর হব। তার শখ মেটাতে পুরো পরিবার মাঠে নামে। রাজকীয় কায়দায় রাজনীতিতে আবির্ভাব। কাউন্সিলর হন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩৩নং ওয়ার্ডের।
তখন থেকেই কাউন্সিলর আসিফ আহমেদ বৃহত্তর মোহাম্মদপুর এলাকার ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন। সর্বশেষ জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে প্রকাশ্য অস্ত্রহাতে রাজপথে গুলি চালিয়ে আলোচনায় আসেন। ওমর ফারুক নামের এক কিশোরকে বুকে পাড়া দিয়ে গুলি করে হত্যাও করেন।
ছাত্র-জনতাকে গুলি করার ভিডিও/ছবি গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হবার পর থেকে আত্মগোপনে রয়েছেন। গোয়েন্দা সূত্র নিশ্চিত করেছে, মোহাম্মদপুরের নবাব ভাতিজা আসিফ গোপনে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে পালিয়ে গেছেন। সেখানেই মোজমাস্তিতে রয়েছেন, ভারত থেকেই সন্ত্রাসী সিন্ডিকেটের সদস্যদের দিয়ে মোহাম্মদপুর-আদাবর এলাকায় চাঁদাবাজি ও অপরাধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন। অদৃশ্য খুঁটির জোরে ওয়ার্ড কাউন্সিলর বনে যাওয়া আসিফের উত্থান নাটকীয় কায়দায় যেমন হয়েছে তেমনি তার দখল, চাঁদাবাজি, মাদক-অস্ত্র ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম ঘটে অবিশ্বাস্য গতিতে।
আসিফ আহমেদ ৩৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হওয়ার পর থেকেই বৃহত্তর মোহাম্মদপুর এলাকা জিম্মি করে ফেলেন। ওয়ার্ডের কার্যক্রম চালাতেন নিজের মর্জি মাফিক। তার আগের কাউন্সিলর রাজিব পতন ঘটান পারিবারিক সন্ত্রাসী ও রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে। দ্রুততার সঙ্গে রাজিবের মতোই অপরাধের সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন। মাত্র ৫ বছর ক্ষমতায় থেকে নিজের সন্ত্রাসী সিন্ডিকেট দিয়ে একাধিক প্লট/ফ্ল্যাট ও জমি দখল করেন। বাড়ি-গাড়িসহ বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের মালিক হয়ে যান। মোট কথা, জবরদখল করে জ্ঞাত, অজ্ঞাত অসংখ্য সম্পত্তির মালিক হন।
স্থানীয়দের তথ্যমতে, আসিফ নিজস্ব বাহিনী দিয়ে চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব, টেন্ডারবাজি, মাদকসেবী ও জুয়াড়িদের আখড়ায় পরিণত করেছিলেন ৩৩নং ওয়ার্ড। ‘ভাইয়া বাহিনী’ প্রধান কাউন্সিলর আসিফ আহমেদ বৃহত্তর মোহাম্মদপুরের কিশোর গ্যাংয়ের মূলহোতা ছিলেন।
সাবেক কাউন্সিলর আসিফ আহমেদ ‘আহমেদ পরিবারের’ সদস্য। আহমেদ পরিবারের একজন সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ। আজিজের আরেক ভাই জোসেফ ছিলেন শীর্ষ সন্ত্রাসী। ক্ষমতার অপব্যবহার করে অনুকম্পা নিয়ে পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের কাছ থেকে ফাঁসি থেকে ক্ষমা নিয়ে বিদেশ পাড়ি জমান। আজিজ আহমেদের ভাই হারিছ ও আনিসের হত্যা মামলার সাজাও মাফ করেছিল স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকার। নানা দুর্নীতিতে সম্পৃক্ততার অভিযোগে আজিজের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। সেই আজিজের বড়ভাই আনিস আহমেদের ছেলে কাউন্সিলর আসিফ আহমেদ। আসিফ পুরো মোহাম্মদপুর এলাকা জিম্মি করে ফেলে মূলত জেনারেল আজিজের (সাবেক সেনাপ্রধান) জোরে। চাচা সেনাপ্রধান এবং আহমেদ পরিবারের সন্তান হওয়ায় পরিবারের সদস্যদের রাজনৈতিক ও আন্ডারওয়ার্ল্ডের ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে কাউন্সিলর হয়েই দাপট দেখাতে থাকেন আসিফ। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের দিয়ে ‘ভাইয়া বাহিনী’ গঠন করে চাঁদাবাজি ও দখল বাণিজ্য চালিয়েছেন দীর্ঘদিন।
চাচাদের মতো আন্ডারওয়ার্ল্ড নিয়ন্ত্রণ করতেন। আসিফের আগে কাউন্সিলর ছিলেন তারেকুজ্জামান রাজীব। আহমেদ পরিবার সেনাপ্রধানের ক্ষমতা দেখিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়ে আসিফকে ৩৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিল হবার পথ সুগম করেন।
২০২০ সালে নির্বাচনের আগে আসিফের নামে গুলশান থানায় অস্ত্র মামলা ছিল। মামলা নং-৭৫(৬)০৭। এ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জেলও খাটেন। মামলাটি আদালতে বিচারাধীন। তবে নির্বাচনী হলফনামায় তিনি মামলার কথা উল্লেখ করেননি। রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুরের ৩৩নং ওয়ার্ডে খাল দখল ও খালের উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ। বাস, ট্রাক, লেগুনা, টেম্পো, রিকশা-অটোরিকশা স্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন চাঁদা উঠানো, পার্কের অবৈধ স্থাপনা বসিয়ে চাঁদাবাজি, বাজারগুলো থেকে তোলাবাজি, ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ, পার্ক নির্মাণ ও মসজিদ-মাদ্রাসার অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ।
বস্তিগুলোতে কিশোর গ্যাংকে প্রশ্রয় দিয়ে মাদক ব্যবসা করাতেন আসিফ।
সর্বশেষ আলোচিত কাউন্সিলর আসিফ আহমেদ গত অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে, রাজধানী কলকাতার নিউমার্কেট এলাকায় দেখা মেলে। প্রতিদিন বিকেল হলেই নিউমার্কেট এলাকায় হাঁটতে বের হতেন তিনি। একাধিক প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে রূপালী বাংলাদেশসহ দেশের গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে আসিফকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি।
সূত্রমতে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র-জনতার মিছিলে হামলার ঘটনায় দেশে আসিফের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হওয়ায় এখনো তিনি ভারতে পালিয়ে রয়েছেন। সেখান থেকে মালয়েশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও আমেরিকায় যাওয়ার চেষ্টা করছেন। গত দেড় দশক আগে থেকেই আসিফের পরিবারের সেকেন্ড হোম হলো মালয়েশিয়া।
আসিফের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে আসিফের হোটেল ব্যবসা রয়েছে। এ ছাড়া পূর্ব মালয়েশিয়ার সীমান্ত ঘেঁষা এলাকা সাবাহ প্রদেশে কাউন্সিলর আসিফের বিশাল এক পাম বাগান রয়েছে।
আসিফের ‘ভাইয়া বাহিনী’ নিয়ন্ত্রণ করতেন তারই ঘনিষ্ঠ বাদল ওরফে কিলার বাদল, সাব্বির ও ভাঙারি রনি। এই বাহিনী ধানমন্ডির সাতমসজিদ রোড থেকে গাবতলী, বছিলা থেকে শ্যামলী, আসাদগেট থেকে বিহারী ক্যাম্প পর্যন্ত রাতদিন মোটরসাইকেলে শোডাউন দিতেন। শত শত মোটরসাইকেলে তেল, খাওয়া, মাদক সেবন ও হাত খরচের টাকা চাঁদাবাজি করে মেটানো হতো। বর্তমানে আসিফ ভারতে পালিয়ে থাকলেও তার বাহিনীর সদস্য প্রথম কিছুদিন গাঢাকা দিয়ে থাকলেও এখন আবারও ভোল পাল্টে দখল, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসীতে ফিরে এসেছে। আর সেই টাকা ভারতে আসিফের কাছে পাঠানো হচ্ছে বলে জানা গেছে একাধিক সূত্রে।
ওয়ার্ডের প্রায় ৭ হাজার বাসাবাড়ি ও ফ্ল্যাট থেকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা করে ময়লার বিল তোলেন আসিফের বন্ধু মাহবুবুর রহমান রনি। এখনো রনির লোকজন ময়লার বিল তোলার কাজে নিয়োজিত। তবে রাজনৈতিক চেহারা পাল্টে। কিশোর গ্যাং লিডার সাব্বির, মাসুদ খান ওরফে কালা মাসুদ, মিলাল, তাজবীর হোসেন তাজু ও আব্দুর রহমান তাদের গ্যাং বাহিনী নিয়ে মোহাম্মদপুরের নবীনগর হাউজিংয়ে প্রায়ই তাণ্ডব চালাতেন আসিফের উপস্থিতিতেই। এদের অনেকে যৌথবাহিনীর অভিযানে আটক হলেও অধিকাংশ প্রকাশ্য।
তাজু ও রহমানকে দিয়ে আসিফের ফুফা নুরুল হকের নবীনগর হাউজিংয়ের অন্তত ৩৭টি প্লট দখল করে রেখেছে। আসিফ ছিল নবীনগর হাউজিং বাড়ি মালিক সমিতির সভাপতি। ৫ আগস্ট পট পরিবর্তনে আসিফ পালিয়ে গেলেও দখল হওয়া বাড়ি উদ্ধার হয়নি। হাউজিংয়ের মালিকরাও আহমেদ পরিবারের ভয়ে কথা বলে না।
ওয়ার্ডের ৫ স্পট থেকে মাসে কোটি টাকা চাঁদাবাজি করত আসিফের ভাইয়া বাহিনী। রাস্তার ফুটপাটে এবং সরকারি খাস জায়গায় অবৈধভাবে বসা অস্থায়ী দোকান থেকে মাসোহারা দেওয়া লাগত আসিফকে। ওয়ার্ডে চলাচলরত সব যানবাহন থেকে মোটা অংকের চাঁদা দেওয়া লাগত।
এ ছাড়াও লাখ লাখ টাকা অগ্রীম তো রয়েছেই। মোহাম্মদপুর তিন রাস্তার মোড়ের পিকআপ স্ট্যান্ড, লেগুনা স্ট্যান্ড, সিএনজি স্ট্যান্ড, ইজিবাইক স্ট্যান্ড ও মোটরসাইকেল স্ট্যান্ড থেকে মাসে এক কোটি টাকা চাঁদা তুলত আসিফ সিন্ডিকেডের লাল্লু মিয়া, ঘাট বাবু, গ্যারেজ সোহেল, বাত রাসেল ও মাহিসহ অনেকে। শিয়া মসজিদ, কাটাসুর, ঢাকা উদ্যান, বছিলা, মোহাম্মদপুর বাস স্ট্যান্ডের আশপাশে প্রায় ১৩টি আবাসিক হোটেল থেকে মাসোহারা নিতেন বন্ধু রোমেনকে দিয়ে। সাতমসজিদ হাউজিংয়ের ভাঙা মসজিদের পাশে নিসর্গ বাস স্ট্যান্ডে মাদকের স্পট বসিয়ে বৃহত্তর মোহাম্মদপুরে মাদকের সাপ্লাই করতেন আসিফ।
ওমরকে গুলি করে হত্যা
জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে মোহাম্মদপুরে ওমর ফারুকের (১৬) বুকে পাড়া দিয়ে গুলি করেন কাউন্সিলর আসিফ। গত গত ৪ আগস্ট গুলি করে হত্যা করা হয়। ওমরের পরিবারের অভিযোগ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আসিফ আহমেদ হত্যা করেন।
ওমরের বুকে পাড়া দিয়ে হত্যার দৃশ্য নিজ চোখে দেখেছেন, এমন দুজন প্রত্যক্ষদর্শী একই কথা বলেছেন। মোহাম্মদপুরের নুরজাহান রোডের একটি মুদি দোকানে কাজ করত ওমর। ৪ আগস্ট বন্ধুদের সঙ্গে আন্দোলনে যোগ দেয় ওমর। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কালভার্ট ফুটওভার ব্রিজের নিচে আসিফ আহমেদ দলবল নিয়ে আন্দোলনকারীদের ধাওয়া করেন। ওই সময় ধাওয়ার মধ্যে মাথায় গুলি লেগে ওভার ব্রিজের নিচে পড়ে গেলে ওমরকে ধরে ফেলে আসিফসহ তার সঙ্গে থাকা লোকজন। তখন ওমরের বুকে পা দিয়ে চেপে ধরে কোমরে আরেকটি গুলি করেন আসিফ। ওমরের বুকে পাড়া দিয়ে গুলি করার দৃশ্য দেখেন ওপরে নাম প্রকাশ না করা বর্ণনাকারী।
তিনি বলেন, ৪ আগস্ট আমিও আন্দোলনে ছিলাম। পুরো ঢাকার মধ্যে মোহাম্মদপুরে আওয়ামী লীগের অবস্থান ছিল ভালো। দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া চলছিল। কাউন্সিলর আসিফের নেতৃত্বে একবার আওয়ামী লীগ আমাদের ধাওয়া দেয় এবং গুলি করতে থাকে। হঠাৎ আসিফের ছোড়া গুলি ওমরের মাথায় গিয়ে লাগে। এতে সে মাটিতে পড়ে যায়। তারপর ওমরের বুকে পা দিয়ে চেপে ধরেন আসিফ। সে সময় জোরে গালি দিতে দিতে পেটে আরেকটি গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। ওমর তার বাবা মিলন ফরাজি, মা ইয়ানুর বেগম ও ছোটভাই নাঈম ইসলামের সঙ্গে থাকত।
দখল করা সম্পত্তি
আদাবরের বাইতুল আমান হাউজিংয়ে ‘ডায়মন্ড রিজেন্সি’ বাড়ি নং # ৫৪/১৯ বি, ব্লক # ক # ১২ ৮ তলা বাড়ি। সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়নের শ্যামলাপুর গ্রামে সাফা হাউজিংয়ে ১ একর জমির ওপর আলীবাবা এগ্রো নামে একটি গরুর ফার্ম। সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়নের শ্যামলাপুর মৌজার বাহেরচর ও লুটেরচর এলাকায় আসিফের বেশকিছু জমি রয়েছে। সিএস ৩৪৩ ও ৩৪৪, আরএস ২৫০২ দাগে ৭৮ শতাংশ। শ্যামলাপুর মৌজায় আরএস ২৬৬৪ দাগে ৯৩ শতাংশ, জমিটি আগে লুটের চর বড় মসজিদ ও বছিলা মসজিদের মালিকানায় ছিল, পরে আসিফ দখল করে নেন। চরওয়াশপুরে আসিফের নামে ৫২ শতাংশ জমি আছে। লিমিটেড ৩ নম্বর রোডে খান টিম্বার অ্যান্ড স’ মিলের পাশে সিএস ৭৩৫ ও আরএস ৫২৭ দাগে ৫ কাঠা জমি দখল করে আজমেরী হাউজিং নামে একটি ডেভেলপার কোম্পানিকে দিয়ে ভবন নির্মাণের চুক্তি করেন।
মোহাম্মাদিয়া হোমসের ভেতর রামচন্দ্রপুর মৌজায় এসএ ৫৮২ দাগে ১০ শতাংশ, এই জমির উপর জমির ওপর হাইকোর্ট স্থিতাবস্থা জারি রয়েছে। তবুও অমান্য করে ভবন নির্মাণ করেন আসিফ। একই মৌজার গ্রিনসিটি মেইন গেটের সঙ্গে সিএস ৩৫৭ দাগে ৫ কাঠা।
প্রভাবশালীর ভাতিজাকে কাউন্সিলর বানাতেই আমাকে গ্রেপ্তার
রাজীব ভাতিজা আসিফকে কাউন্সিলর বানাতে ও জোসেফ-হারিস-আনিসের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য পরিকল্পিতভাবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩৩নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজীবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এমন অভিযোগ তুলে এই বিশেষ মহলের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছিলেন রাজীব নিজেই। ২০২৩ সালের ২৮ মে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন সাবেক যুবলীগ নেতা রাজীব। সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে রাজীব ও উত্তর সিটির ৩২নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান মিজান।