গাজার অবকাঠামো সম্পূর্ণরূপে ধসে যাওয়ার ফলে গাজা উপত্যকার প্রায় ৯৬% পানি বর্তমানে খাওয়ার অযোগ্য বলে মনে করছেন ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার সমর্থনকারী আন্তর্জাতিক কমিটি (হাশদ)।
সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নীতিমালায় হাশদ বলেছে, ইসরায়েলি দখলদাররা ইচ্ছাকৃতভাবে পানি ও স্যানিটেশন অবকাঠামো ধ্বংস করচ্ছে। এ কারণে এই মানবিক বিপর্যয় সৃষ্ট হচ্ছ। যার ফলস্বরূপ লক্ষ লক্ষ ফিলিস্তিনি বিশুদ্ধ পানীয় জল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
হাশদের এই নীতিমালা অনুসারে, গাজার ৯৬% পানি এখন মানুষের ব্যবহারে বা পান করার জন্য অযোগ্য। যা গাজাবাসীর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) এর অনুসারে, গাজায় প্রতিদিন পানি সরবরাহ কমছে ৯৭%। যেখানে মাথাপিছু পানি বরাদ্দ মাত্র ৩ থেকে ১৫ লিটার, যা বিশ্বের গড়ের তুলনায় অনেক কম (বিশ্বব্যাপী গড়ে প্রতিদিন ১০০ লিটারের বেশি পানি সরবরাহ করা হয়)।
হাশদ নীতিমালা আরও বলেছে, গাজায় ইসরায়েলিরা প্রায় ৮৮% পানির কূপ নষ্ট করে ফেলেছে। ১০০% পয়ঃনিষ্কাশন শোধনাগার ধ্বংস করার ফলে দূষিত পানি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে। এছাড়া ৪৯৬টি ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্ট ধ্বংসের ফলে গাজাবাসী পানীয় জলের প্রাথমিক উৎস হারিয়ে ফেলেছে।
আপনার মতামত লিখুন :