গাজায় যুদ্ধবিরতির চুক্তির অধীনে শনিবার (২৫ জানুয়ারি) ইসরায়েলের বিভিন্ন জেলে বন্দি ২০০ ফিলিস্তিনি ছাড়া পেয়েছেন। ইসরায়েলের ৪ নারী সেনা মুক্তি পাওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত আসল। মুক্ত হওয়া ফিলিস্তিনিরা রামাল্লার পশ্চিমে বিতুনিয়া পৌঁছানোর পর সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
বীরের মতো বরণ করে নেওয়া হলো বন্দিদের
আলজাজিরা জানায়, মুক্তিপ্রাপ্ত ফিলিস্তিনি বন্দিদের প্রত্যাবর্তন উদযাপন করতে রামাল্লায় রাস্তায় জড়ো হয়েছেন বহু ফিলিস্তিনি। তারা ফিলিস্তিনের পতাকা উড়িয়েছেন এবং স্লোগান দিয়েছেন। অনেককেই তাদের মোবাইল ফোনে এসব দৃশ্য ধারণ করতে দেখা যায়। বন্দিদের কনভয়কে ঘিরে রেখেছেন স্বাধীনতাকামী ফিলিস্তিনিরা।
বন্দিদেরকে মুক্তি পাওয়ার পরও ধূসর পোশাকে দেখা যায়। এসময় তারা বাস থেকে নামার সময় ভিড়ের দিকে তাকিয়ে হাত নাড়েন। উল্লসিত ফিলিস্তিনিরা সদ্য মুক্তি পাওয়া এসব বন্দিদের অনেককে জড়িয়ে ধরেন, কাঁধে তুলে নেন। মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দিদের বহনকারী বাসের কনভয়কে ঘিরে রেখেছে তারা।
এর আগে, গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তির অধীনে শনিবার মুক্তির জন্য চার জিম্মিকে মুক্তি দেয় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এরা সবাই ইসরায়েলি সেনা। তারা ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার পর থেকে গাজায় বন্দী ছিলেন।
এদিকে গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর থেকে অর্থাৎ গত ১৯ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে কমপক্ষে ৭ ফিলিস্তিনি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের সাহায্য সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ)-এর বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সম্প্রচার মাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, এই শিশুদের মৃত্যু হয়েছে শীতজনিত ঠান্ডায়। যা গাজার মানবিক সংকটকে আরও তীব্র করে তুলেছে।
আপনার মতামত লিখুন :