পরিবারের লোকজন যার সঙ্গে বিয়ে ঠিক করেছে তাকে পছন্দ হয়নি তরুণীর। আর তাই, বিয়ে ভেঙে দেয়ায় পরিকল্পনা করেন তরুণী। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ভাড়াটে গুন্ডা দিয়ে বেধড়ক মার খাওয়ান যুবককে।
ভারতের মহারাষ্ট্রের আহিল্যানগর জেলায় এ ঘটনা ঘটে।
এই সময় অনলাইনের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ফেব্রুয়ারি মাসে সাগর জয়সিং কদম নামে ২৮ বছর বয়সি এক যুবককে বেধড়ক মারধর করে কিছু যুবক। ২৭ ফেব্রুয়ারি পুনে-শোলাপুর হাইওয়ের ওপর খামগাঁও নামে একটি জায়গায় এ ঘটনা ঘটে।
সাগর একটি হোটেলের রাঁধুনি। তাকে হোটেলের সামনেই লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে সাগর কদম ১ মার্চ থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে সে ঘটনার তদন্তে নামে স্থানীয় পুলিশ।
তদন্তে উঠে আসে শ্রীগোন্ডার ময়ূরী সুনীল নামে এক তরুণীর নাম। এই ময়ূরীর সঙ্গে সাগরের বিয়ে ঠিক হয়েছিল। কিন্তু বিয়ে করতে চাইছিলেন না ময়ূরী। তাই চাচাতো ভাই আদিত্য শঙ্করের কাছে সাহায্য চান ময়ূরী।
পরামর্শ অনুযায়ী, ময়ূরীর বন্ধু সন্দীপ দাদা গাভাড়ে এবং কিছু ভাড়াটে গুন্ডা সাগরের ওপর হামলা চালায়।
পুলিশ সূত্রের খবর, শিবাজি রামদাস জারে, ইন্দ্রভান সাখারাম কোলাপে এবং সুরাজ দিগম্বর নামে তিনজনকে ভাড়া করা হয়। এ কাজের জন্য মোট দেড় লাখ টাকায় চুক্তি হয়। তার মধ্যে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা দিয়েও দেওয়া হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মূল অভিযুক্ত ময়ূরী এখনো পলাতক। তার বিরুদ্ধে সংহিসতার একাধিক ধারায় মামলা করেছে পুলিশ।