বাংলাদেশে নির্বাচনের মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা দেখতে চায় ভারত।
শুক্রবার এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বলেন, যেকোনো গণতন্ত্রে নিয়মিত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
ড. ইউনূসের কাছে নরেন্দ্র মোদি এ বিষয়ে নিজের দর্শন তুলে ধরেছেন। সেই সঙ্গে সামনের দিনে একটি গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্থিতিশীল বাংলাদেশ দেখবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে বৈঠক সূত্র জানায়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. ইউনূসকে যখন বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তি ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার কথা জানান তখন তিনি প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা জানান।
বৈঠক সূত্র আরও জানায়, যদি আরও কিছু সংস্কার প্রয়োজন পড়ে সে ক্ষেত্রে বাকি সংস্কার সম্পন্ন করে আগামী বছরের জুনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে নরেন্দ্র মোদিকে জানান বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা।
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে বিক্রম মিশ্রি বলেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা আগেও বলেছি তার প্রত্যর্পণ নিয়ে বাংলাদেশ থেকে অনুরোধ এসেছে। তবে এ বিষয়ে এখন আর কিছু বলতে চাচ্ছি না।
এ বিষয়ে বৈঠক সূত্র জানায় বৈঠকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আলোচনা হয়, এ ক্ষেত্রে ভারতের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কোনো জবাব দেওয়া হয়নি। তবে ভারত বিষয়টির নোট নিয়েছে।
সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে বৈঠকে আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে বিক্রম মিশ্রি বলেন, সংখ্যালঘু পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। নরেন্দ্র মোদি এ নিয়ে জোড়াল ভূমিকা রেখেছেন।
বাংলাদেশের সংখ্যালঘু পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের গভীর উদ্বেগের কথা জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশ সরকার সংখ্যালঘুদের দায়িত্বপালনে সফল হবে। পাশাপাশি সংখ্যালঘু নির্যাতনের তদন্ত করবে।
উল্লেখ্য, বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোটের (বিমসটেক) শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষে অধ্যাপক ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি বর্তমানে ব্যাংককে অবস্থান করছেন।
দুই দেশের সরকার প্রধানের মাঝে একটি বৈঠক ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :